আমাদের আলাপের বিষয় সংস্কৃতি ও যোগাযোগ। বলা হচ্ছে যোগাযোগের সার্বজনীন ঘটনার একটা হলো যে, সংস্কৃতি যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করে, কিংবা বলা যায় যোগাযোগের উপর সংস্কৃতির প্রভাব আছে। আগের লাইনটা বুঝতে হলে আমাদেরকে সংস্কৃতি ও যোগাযোগকে আলাদাভাবে বুঝতে হবে। একটা নির্দিষ্ট ভৌগোলিক পরিবেশে বেশিরভাগ মানুষ যা ভাবে, যা করে, যেভাবে করে, এবং তারা যা সেটাই তাদের সংস্কৃতি। আর মানুষের পরস্পরের কাছে নিজেদেরকে প্রকাশের উপায়কে বলা যায় যোগাযোগ। ভৌগোলিক সীমানার কথা উল্লেখ করেছি, কারণ সীমানা আমাদের সংস্কৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করে বা করার চেষ্টা করে এবং বলা যায় সফল। কিছু কিছু আচার সীমানা অতিক্রম করতে পারলেও সংস্কৃতি হিসাবে প্রতিষ্ঠা পায় না পুরোপুরি। সুতরাং আমরা বলতে পারি ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি গড়ে উঠাটা মানুষের এই পৃথিবীর বাস্তবতা, যেটার বিভিন্ন যৌক্তিক কারণ আছে। বিভিন্ন সংস্কৃতিতে বলার, শোনার, গায়বার, শাসনের, শোষণের এবং যোগাযোগের স্বতন্ত্র পদ্ধতি বিরাজ করে। একটা সংস্কৃতি থেকে বা পারিপার্শ্বিকতা থেকে অন্য আরেকটা সংস্কৃতি বা পারিপার্শ্বিকতায় যোগাযোগের পদ্ধতি বদলায়। সংস্কৃতি ভেদে যোগাযোগের পদ্ধতির উপর শ্রদ্ধা রাখ...